অনেক শর্তের বেড়াজালে প্রবাসে এনআইডি কার্যক্রম; ফের বন্ধ

429

ঢাকা সংবাদদাতা : প্রবাসে এনআইডি সরবরাহের জন্য ইসির থেকে লোকবল পাঠানো প্রয়োজন হবে। সেখানে একটি নির্দিষ্ট জায়গা লাগবে। আর এতে লোক সমাগমও হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারের কাছ দেশে অনুমতি নিতে হবে। আর সেই অনুমতি কবে পাওয়া যাবে, সেটা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমানে পুরো বিষয়টিই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কেননা, আমাদের পরিস্থিতির উন্নতি হলেও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর করোনা পরিস্থিতি উন্নতি না হলে স্বাভাবিকভাবেই তারা কার্যক্রম শুরুর অনুমতি দেবে না।

২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের অনলাইনের ভোটার করে নেয়ার কার্যক্রম শুরু করে ইসি। এর আগে ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর দুবাই প্রবাসীদের মধ্যে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। তার আগে একই বছর ৫ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় অবস্থারত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান কার্যক্রম শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এরই মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রমের দ্বার উন্মোচিত করে সংস্থাটি। পরবর্তীসময়ে পর্যায়ক্রমে সৌদি আরব, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের অন্য দেশে কার্যক্রমটি শুরু করার কথা রয়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশে গিয়ে যদি প্রবাসীদের হাতে এনআইডি পৌঁছে দেয়া সম্ভব না হয়, তবে একটি ব্যবস্থা দেশেই রাখা যেতে পারে। তারা সব কাগজপত্র দিয়ে অনলাইনে আবেদন করলেন, সেই কাগজের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন সকল কাজ সম্পন্ন করে রেখে দিল। এমনকী ইতিবাচক তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কার্ডও প্রিন্ট করে রাখা যেতে পারে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দেশে এসে দশ আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি দিয়ে কার্ড নিয়ে নেবেন।