সমুদ্র পথে ব্রিটেনে প্রবেশ রুখতে সেনাবাহিনীর সহায়তা চেয়েছে হোম অফিস

1974

ওয়ানবাংলানিউজ: সমুদ্র পথে অবৈধভাবে ব্রিটেনে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সেনাবাহিনীর সহায়তা চেয়ে হোম অফিস। আজ একথা নিশ্চিত করেছেন প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান। তিনি বিবিসিকে জানিয়েছেন, হোম অফিসের পক্ষ থেকে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী তা বিবেচনায় নিয়েছে।

স্কুল মিনিস্টার নিক গিব বলেছেন, সরকার নৌকাগুলির প্রতি সর্বদা নজর রাখছে যাতে কেউ অবৈধভাবে প্রবেশ করতে না পারে। গত দুইদিনে রেকর্ড সংখ্যক ৩৫০ জনের বেশি অভিবাসী ব্রিটেনে প্রবেশের চেস্টা করলে তাদের বাঁধা দেয়া হয়। এর মধ্যে শুক্রবার রেকর্ড সংখ্যক শিশু প্রবেশ করেছে।

আজ শনিবারও কেন্ট উপকূলে ২৬জন অভিবাসী বহনকারী দুটি নৌকা এসে পৌছেছে। এদিকে ফ্রান্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে দুইটি নৌকার ৩৩জন অভিবাসীকে ক্যালিসে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় জানিয়েছে হোম অফিসকে সহায়তা করতে সেনাবাহিনী কাজ শুরু করেছে।

আর হোম সেক্রেটারী প্রীতি প্যাটেল এক টুইটে বলেছেন, বিপজনক ইংলিশ চ্যানেলে অবৈধপথে ব্রিটেনে প্রবেশ রুখতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং আরো ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সমুদ্র পথে যুক্তরাজ্যের প্রবেশের চেস্টা প্রতিদিনই বাড়ছে। তবে গত বৃহস্পতিবার রেকর্ড সংখ্যক ২৩৫ জন অভিবাসী পৃথক পৃথক নৌকায় করে যুক্তরাজ্যের প্রবেশের চেস্টা করেন।

ইংলিশ চ্যানেলে এসকল অভিবাসীদের বাঁধা প্রদান করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে হোম অফিস। তাদের মধ্যে একজন শিশু এবং একজন গর্ভবতী মহিলা রয়েছেন।
হোম অফিস জানায় মেরিটাইম অ্যান্ড কোস্টগার্ড এজেন্সি এবং বর্ডার ফোর্সের ইউনিয়নগুলো ১৭টি নৌকাকে বাঁধা দিতে সমর্থ হয়।
বিবিসি জানিয়েছে এ বছর এপর্যন্ত প্রায় ৩০০টি নৌকায় করে ৩,৯৪৮ অভিবাসী ব্রিটেনে প্রবেশের চেস্টা করেন।

এদিকে ইংলিশ চ্যানেলের নিয়ন্ত্রন নিয়ে সমালোচার মুখোমুখি হতে হচ্ছে হোম অফিসকে। গত জুন মাসে এই চ্যানেল ক্রস করে ২০০০ এর বেশি লোক যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিন উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক শিশু, কিশোর-কিশোরী ফ্রান্স থেকে সমুদ্র পথে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেস্টা করে। আর করোনাভাইরাসের সময়ে মানব প্রাচার বেশি হয়েছে বলে মনে করছে অনেকে।
হোম অফিসকে দ্রুত ও কার্যকরি ভূমিকা নিতে সরকারের পক্ষ থেকে তাগিদ দেয়া হচ্ছে

পৃথক সংবাদ