ব্রিকলেইন মসজিদের উদ্যোগে শামীম মোহাম্মদ আফজাল স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

1233

ওয়ানবাংলানিউজ: সদ্য প্রয়াত ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (ইফাবা) এর সাবেক মহাপরিচালক শামীম মোহাম্মদ আফজাল স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করেছে ব্রিকলেইন জামে মসজিদ। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তাৎক্ষনিক এই মিলাদ মাহফিল গত ২৬ জুন শুক্রবার ব্রিকলেইন মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রয়াত ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (ইফাবা) এর সাবেক মহাপরিচালক শামীম মোহাম্মদ আফজাল এর সাথে সাবেক সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী

মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব সাজ্জাদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন আলীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য মরহুমের কর্মময় জীবনের নানান জনহিতকর কাজ নিয়ে আলোচনা করেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, কাউন্সিলার আব্দুল মুকিত চুন্নু এমবিই, কমিউনিটি নেতা
আমির হোসেন, আনসারুল হক, ইয়সুফ কামালী, হামিদুর রহমান চৌধুরী, মতিউর রহমান, আলতাফুর রহমান মোজাহিদ, সৈয়দ মর্তুজ আলী, শায়েস্তা মিয়া, মুহিবুর রহমান চৌধুরী, দেওয়ান সালমান আশরাফী সানী, শওকত সিদ্দিকি, হাফিজ আব্দুল ওয়াহিদ, হাফিজ সাজ্জাদুর রহমান।

আলোচনা সভা শেষে মসজিদের খতিব মাওলানা নজরুল ইসলামের পরিচালনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।
এসময় বক্তারা বলেন, টানা ১১ বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (ইফাবা) মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন সামীম মোহাম্মদ আফজাল। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর তার মেয়াদ শেষ হয়। এই সময়ের ভেতরে দেশের মসজিদ, মাদ্রাসাসহ ইসলামিক শিক্ষার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশাল ভূমিকা রাখে।

বিশেষ করে শামীম মোহাম্মদ আফজালপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইফা ডিজি’র দায়িত্বে থাকাবস্হায়, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমকে প্রচার ও প্রসারিত করেছেন। তার সময়ে প্রায় ৮০ হাজার আলেম উলামার কর্মসংস্থান হয়েছিল এবং তাদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধিতে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি মসজিদ ভিত্তিক কেন্দ্রের শিক্ষকদের বেতন ১২০০ টাকা থেকে ৪৫০০ টাকায় উন্নীত করেছিলেন। তিনি সারাদেশে ১০১০ টি দারুল আরকাম মাদ্রাসা প্রতিষ্টিতা করে আলিয়া ও ক্বওমী মাদ্রাসার আলিমদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্তা করেছিলেন।

তারা বছরে ২টি ঈদ বোনাস সহ প্রতি মাসে ১১৩০০ টাকা হারে বেতন পেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ক্বওমী মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেয়ার পর ক্বওমী আলেমদের প্রথম কর্মসংস্থান এই দারুল আরকাম মাদ্রাসার মাধ্যমে হয়েছিল। তার একান্ত প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনায় সারাদেশের ৫৬০ টি উপজেলায় ১ টি করে মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজ চলমান। তিনিই প্রথম ইফার মাধ্যমে সরকারিভাবে কোরআন শরীফ ছাপিয়ে ফ্রি বিতরনের উদ্দোগ নিয়েছিলেন।