ঢাকা সংবাদদাতা: দেশের প্রায় ৬ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত। এদের মধ্যে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদি বি-ভাইরাসে আক্রান্ত।
এসব রোগীর অনেকেই কোনো এক সময় লিভার সিরসিস বা লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ থেকে মুক্তির অন্যতম পথ সামাজিকভাবে সচেতনতা সৃষ্টি।
রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উপলক্ষে অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য স্টাডি অব লিভার ডিজিজেজ বাংলাদেশ (এএসএলডিবি) আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় জানানো হয়, বিশ্বে হেপাটাইটিস-বি এবং সি আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৩২৫ মিলিয়ন। হেপাটাইটিস-বি ও সি নিয়ে বসবাস করলেও তাদের ৮০ শতাংশ রয়েছে প্রতিরোধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং চিকিৎসার বাইরে।
প্রতি ১০ জন রোগীর ৯ জন রোগটির ধরন সম্পর্কে একেবারেই অবহিত না। হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের জন্য বিশ্বমানের ওষুধ এখন বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে। তবে জটিলতা তৈরি করছে নানা কুসংস্কার।
যার মধ্যে রয়েছে ঝাড়-ফুঁক, কবিরাজি, হোমিওপ্যাথি, গাছ-গাছড়ার রস খাইয়ে চিকিৎসা দেয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন জাতীয় অধ্যাপক ডা. শাহলা খাতুন।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য স্টাডি অব লিভার ডিজিজেজ বাংলাদেশ (এএসএলডিবি)-এর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল ও ডা. হারুন অর রশিদ।
অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য স্টাডি অব লিভার ডিজিজেজ বাংলাদেশের সভাপতি ডা. সেলিমুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন ডা. অরুণ জ্যোতি তরফদার, ডা. মো. আবদুর রহিম, ডা. ফারুক আহমেদ, ডা. প্রভাত কুমার পোদ্দার, সাংবাদিক ডা. নুরুল ইসলাম হাসিব প্রমুখ।















