আত্মপরিচয়ে নিজ ভাষার গুরুত্ব

169

ভাষা এবং সংস্কৃতির অগ্রগতি ঘটে বিবর্তন, রূপান্তর এবং ক্রমবিকাশের মধ্য দিয়ে । যার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রতিটি ভাষার সংরক্ষণ ও যথার্থ ব্যবহার নিশ্চিত করা। ভাষার ক্রমবিকাশ বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে, ভাষায় কথা বলার শেষ ব্যক্তিকে কবরে শুয়ে দেয়া, তার শেষকৃত্য করে নেওয়া এবং হাজার বছরের জমানো সাহিত্য, কৃষ্টি এবং তত্ত্বকে মুছে ফেলা। ভৌগোলিক সীমারেখার ভিত্তিতে একেকটি জনপদের ভাষা এবং সংস্কৃতি যেমন ভিন্ন, ঠিক তেমনি প্রকৃতিরও ভিন্ন ভিন্ন নিজস্ব ভাষা আছে, নদীর মৃত্যু হলে বা গতিপথ হারালে, বৃষ্টি না হলে, বাতাসের প্রবাহ রুদ্ধ হলে, পাখি হারিয়ে গেলে, বৃক্ষ না থাকলে মৃত্যু হয় প্রকৃতির ভাষা। এতে কিন্তু স্বাভাবিকতা প্রকটভাবে বিচ্ছিন্ন হয়, যেটা প্রাকৃতিকভাবে ঘটে যায়, তাই এবং এটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

কিন্তু মানুষের ভাষা চর্চা বন্ধ হয়ে যাবে, এটা মেনে নেয়া খুবই কষ্টকর – কারণ এতে ভাষা বিকাশের স্বকীয়তার পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। অধিকন্তু, সংস্কৃতির বিকাশ রোধ হয়, এবং আস্তে আস্তে চর্চা বিহীন ভাষা এবং সংস্কৃতি মরে যায়। বিভিন্ন ভাষা এবং সংস্কৃতির মিশ্রনে জাতির যে উন্নয়ন হওয়ার কথা, তা রুদ্ধ হয়ে যায়। তাইতো, এটা ভুলে গেলে চলবেনা যে, প্রত্যেক ভাষায়-ই এক অলিখিত জ্ঞ্যান ভান্ডার সঞ্চিত থাকে। ভাষার মধ্যে রয়েছে প্রত্যেক মানুষের পুরোনো বংশ ইতিহাসের ধারণ করা স্মৃতি, জাতিগত ব্যাবহার, উদ্ভিদ, প্রাণী, চরকা বুড়ির গল্প, চাঁদমামার ছড়া, আবহাওয়া সংক্ৰান্ত জ্ঞ্যান, ব্যাধি, সামাজিক প্যাটার্ন, গল্প, কৌতুক – এক কথায় বলতে গেলে মানুষের বেঁচে থাকার যাবতীয় বিষয়কেই ভাষা ধারণ করে।

এক:  (ভাষা বিলীন হয়ে যায় কেন?)

ভাষার ব্যবহার মার্জিনাল হয়ে যাওয়া বা ভাষার বিপন্নতার কয়েকটি পর্যায়ও লক্ষ করা যায়। সেগুলোর মধ্যে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে – এক, যেখানে ভাষাটি একটি বড়ো ও প্রতাপান্বিত ভাষার সংস্পর্শে আসে তখন ওই ভাষা আর প্রতিপত্তির লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারে না। দ্বিতীয়টি, যখন আমাদের ছেলেমেয়েরা সে-ভাষা কম শিখে, আর কেবল যুবকদের এবং প্রবীণদের মধ্যেই সে-ভাষার স্বচ্ছন্দ বক্তা পাওয়া যায়। তিন হল ‘রীতিমতো বিপন্ন’ (seriously endangered) যখন ৫০ বছরের কমবয়েসিদের মধ্যে সে-ভাষার স্বচ্ছন্দ বক্তা বেশি পাওয়া যায় না। আর ভাষার ‘মৃতপ্রায়’ অবস্থা হল যখন শুধু কিছু বৃদ্ধই ওই ভাষায় কথা বলে এবং কমবয়েসিরা শুধু অন্য ভাষায় কথা বলে। এভাবেই ভাষার মৃত্যু হয় এবং প্রান্তিক জাতি তার পুরো ভাষার সংস্কৃতি এবং তার আদর্শবাদিতাকে হারিয়ে ফেলে। এমনটাও ও কিন্তু দেখা যায় যে, কোনো বক্তা বা তার বংশধর দিব্যি বেঁচে আছে, কিন্তু তারা নিজেদের এতদিনকার নিজস্ব ভাষাটা বলা ছেড়ে দিয়েছে। কারণটা হলো, রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনীয়তা, শিক্ষানীতি-অর্থনীতি (যাহা শ্রদ্ধাভরে গ্রহণযোগ্য), রাজনৈতিক এবং অন্যান্য কারণ তাদের বাধ্য করে, নিজস্ব ভাষাটা ছেড়ে দিতে। একে বলে Language Shift। এই ল্যাঙ্গুয়েজে শিফটের মধ্যবর্তী সময়ে আমরা দেখতে পাই দ্বিভাষিকতার উদ্ভাবন, যাহাতে দুই ভাষাই পাশাপাশি অনেকদিন চলে এবং সবল ভাষাটাই তাদের জিহবাকে পুরোপুরি দখল করে নেয় এবং দুর্বল ভাষাটা এক সময় মরে যায়। অনেক অভিবাসী পরিবার বিদেশে গিয়ে যে নিজেদের ভাষা ছেড়ে দেয়, সেটা এই রকমেরই ভাষা আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে যাওয়ার সূত্রপাত মাত্র। এর অন্যতম কারণ হলো, নিজের ভাষা, সংস্কৃতির প্রতি অবহেলা, (হয়তো রিসার্চ, চর্চা বা দূরদর্শিতার অভাব) আর এর থেকে মাতৃভাষার ক্ষয়, এবং ক্ষয় থেকে শেষে ভাষার মৃত্যু ঘটে।

দুই:  (ভাষার মৃত্যুর জন্য অন্যান্য নিয়ামকও দায়ী)

ভাষার মৃত্যুর জন্য উপনিবেশবাদ এর বিকাশ কিন্তু অনেকটাই দায়ী। কারণ উপনিবেশবাদীরা তার দেশের নিজস্ব ভাষাকে, সাহিত্য, সংস্কৃতিকে অন্য দেশে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে, যার ফলশ্রুতিতে স্থানীয় ভাষার মৃত্যু ঘটে, পক্ষান্তরে ভাষার একটা বিশাল জ্ঞ্যান ভান্ডার পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে যায়।
এটা অনেক সময় ধারণা করা হয় যে, উপনিবেশবাদের পূর্বে পথিবীর ভাষা সংখ্যা ছিল বিশ হাজারেরও বেশি, উপনিবেশবাদের শাসন কষাঘাতে এগোলো কমতে কমতে ৬/৭ হাজারে চলে আসে এবং প্রতি বৎসরই কোনো না কোনো কারণে কিছু ভাষার মৃত্যু ঘটছে। কারণ একজনের কাছে তার নিজস্ব ভাষার যেমন অতিরিক্ত গুরুত্ব রয়েছে তেমনটা কিন্তু অন্য ভাষার প্রতি তার ততটা গুরুত্ব নেই। আর জন্যই, প্রান্তিক অভিবাসনকারীদের নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে যাচ্ছে এবং হারিয়ে যাচ্ছে তার হাজার বছরের বেঁচে থাকার অভিজ্ঞতাও। এই হারিয়ে যাওয়ার কারণে আমরা জানতেও পারবোনা যে, ওই সব মানুষ একে অপরকে ভালোবাসার জন্য কি জিনিষ উপহার দিতো বা বেঁচে থাকার জন্য প্রাকৃতিক কোন নির্জাস ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করতো বা তাদের ঊচ্চাঙ্খার ধরণ কতটা বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ছিল। কারণ যখন একটি ভাষা হারিয়ে যাবে তখন মানুষের অভিব্যাক্তি বা বর্ণনার ধরণও হারিয়ে যাবে এবং হারিয়ে যাবে তার মূল্যবান তথ্যগুলো, তাই ভাষাকে অবহেলা করা বা ভাষাকে বন্ধ করে দেয়া মানে, অন্য একটা জ্ঞ্যান থেকে চিরতরে বঞ্চিত হওয়া।

তিন: (বাংলা ভাষার ঐতিহাসিক শক্ত ভিত্তি)

এথনোলগ পত্রিকার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০৫ সাল পর্যন্ত পৃথিবীতে ৬ হাজার ৯১২টি ভাষায় কথা বলা হচ্ছিল। তার মধ্যে ইউরোপের ভাষা ২৩৯টি আফ্রিকার ভাষা মোট ২ হাজার ৯২টি। প্রথম যখন মানুষের ভাষা শুরু হয় তখন ভাষার সংখ্যা এর দ্বিগুণ ছিল অর্থাৎ ত্রিশ-চল্লিশ হাজার বছরের মধ্যে মানুষের অর্ধেক ভাষা লুপ্ত হয়েছে। বাংলা ভাষা কিন্তু, ভাষাবাসীর দিক থেকে পৃথিবীর চার্ নম্বর ভাষা এবং ধারণা করা হয় যে সারা পৃথিবীতে ৩০০ মিলিয়ন মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে। এটা সংখ্যায় স্প্যানিশ বা জার্মানদের ভাষাভাষীদের তুলনায়ও বেশি। এখন আসি ব্রিটেনের আলোচনায় – ইংরেজি ভাষা হচ্ছে যুক্তরাজ্যের সরকারি ভাষা। ওয়েল্‌স এবং স্কটল্যান্ডে যথাক্রমে ওয়েল্‌শ এবং স্কটিশ গেলিক ভাষাকে আঞ্চলিক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জে আইল অভ ম্যান-এ মাংক্স ভাষা, এবং জার্সি ও গুয়ের্নজি-তে ফরাসি ভাষা প্রচলিত। উত্তর আয়ারল্যান্ডে সামান্য আইরিশ গেলিক ভাষা প্রচলিত। যুক্তরাজ্যের অভিবাসী সম্প্রদায়ে শতাধিক অভিবাসী ভাষা প্রচলিত। এদের মধ্যে আছে বাংলা, চীনা, গ্রিক, গুজরাটি, হিন্দি, ইতালীয়, পাঞ্জাবি, পোলীয়, পর্তুগিজ, স্পেনীয়, তুর্কি, ইউক্রেনীয়, উর্দু, ভিয়েতনামি, ইত্যাদি ভাষা। কিছু লোক জিপসি বা রোমানি ভাষাতেও কথা বলে। যুক্তরাজ্যে বাংলা ভাষার ইতিহাস চল্লিশ বছরেরও পুরোনো ইতিহাস এবং এটি একটি সমৃদ্ধশালী ভাষা। এই ভাষা ব্রিটেনকে বাঙালি সংস্কৃতির অংশীদারিত্বে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। বিভিন্ন গবেষণায় এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, বাংলা ভাষার দ্বিভাষিক ব্যাবহার এবং জ্ঞানীয় বিকাশে এর প্রচুর ইতিবাচক প্রভাব ব্রিটেনের সমৃদ্ধিতে অবদান রাখছে ।

চার: ( দ্বিভাষিক হওয়ার উপকারিতা কি?)

•ভাষা তত্ত্ববিদরা বিশ্বাস করেন যে, যে শিক্ষার্থীরা অল্প বয়সে একাধিক ভাষার সংস্পর্শে আসেন, তারা লেখনীতে এবং শব্দ কাঠামো তৈরিতে অনেক পটু, এবং ঐ দ্বিভাষিক শিক্ষার্থীরা তাদের সমবয়সীদের চেয়ে দ্রুত প্রাক-পঠন ক্ষমতা বিকাশে এবং ফোনেরোলজিকাল সচেতনতা এবং অনেকটা দক্ষতা প্রকাশ করেন।

• এটা প্রমাণিত যে, দ্বিভাষিক শিক্ষার্থীরা তাদের মাতৃভাষায় কথা বলার চেয়ে (বিশেষ কোনো শিশুরা) উভয় ভাষার শব্দ ব্যাবহারে বেশি উৎসাহিত হয় এবং বিপরীত ভাষায় যে কোনও শব্দের তুলনা করে এরা শিখতে চায়, এতে তাদের শিখার সম্ভাবনার পথ অনেক বেশি খোলা হয়ে যায়।
• সামগ্রিক সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অনুভূতির কারঙে দ্বিভাষিকরা বর্ধিত জ্ঞানীয় দক্ষতার অধিকারী হয়ে থাকে, এর জন্য নিজেকে পরিচালনায় বাস্তব জীবনে আশ্চর্যজনকভাবে প্রতিভাবান হয়ে থাকেন। দুটি ভাষার মধ্যে অবিচ্ছিন্নভাবে স্যুইচিং তাদের মনকে বা ধারণাকে একটি শব্দের অসংখ্য শব্দার্থ তৈরি করতে সাহায্য করে।
• দ্বিভাষিকরা সহজেই কোনও মানসিক চাপ বা জটিলতা ছাড়াই তাদের মানসিক অবস্থাকে এক কাজ থেকে অন্য কাজে স্থানান্তর করতে পারে।
• দ্বিভাষিদের দুটি ভাষার জ্ঞান এবং বোধগম্যতা তাদের মস্তিষ্কের জ্ঞানীয় কার্যকারিতার উপর কিছু চিত্তাকর্ষক প্রভাব ফেলে, ফলে দ্বিভাষিক বাচ্চারা পরিবেশগত পরিবর্তন, একাধিক টাস্কিং, ইমপালস কন্ট্রোলিং-এ ধৈর্যের পরিচয় দেয়।
• গবেষণায় দেখা গেছে, দ্বিভাষিকরা রাষ্ট্রীয় কর্ম পরিচালনায় দৃঢ়, নির্বাহী চিন্তা ও দক্ষতার পরিচয় দেয়। বিমূর্ত চিন্তা, দক্ষতা, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগে এরা বিস্তৃতর ক্ষমতাসম্পন্ন এবং দ্বন্দ্ব সমাধানে তাদের দক্ষতা অনেক বেশি।

পাঁচ : (করণীয় কি?)
প্রশ্ন হল, ভাষা বিলীন হওয়াকে রুখবে কে এবং কে এগিয়ে আসবে ? নিজ ভাষার ক্ষয় এবং বিলীন হওয়াকে রুখতে পারেন একমাত্র লেখক এবং ভাষাসেবকরা, যাদের মনোভাব থাকতে হবে এরাই সেবক, ভাই এবং এ কমিউনিটির সন্তান। এসব ভূমিকার পাশাপাশি পারিবারিক এবং শিক্ষাক্ষেত্রে সদা সর্বদাই নিজ ভাষার চর্চাকে গতিশীল রাখতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং নিজ ভাষার প্রতি গভীর মমত্ববোধই স্ব স্ব জাতির ভাষার ক্ষয় বা বিলীনতা ঠেকাতে পারে। পৃথিবীতে প্রচলিত আনুমানিক ৭ হাজারের অধিক ভাষার মধ্যে মাত্র ২০০ ভাষায় দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে বাংলা ভাষা অন্যতম মর্যাদার আসনে আসীন। পৃথিবীতে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ বাংলাভাষী, তাই প্রচলিত ভাষার মধ্যে মাতৃভাষার বিবেচনায় বিশ্বে বাংলার স্থান চতুর্থ। আর ভাষিক বিচারে বাংলার স্থান সপ্তম। আর এই জন্যই বাংলাভাষার মজুত ভিত্তিও রয়েছে।
পরিতাপের বিষয় হল, আমাদের হাজারও মহাজ্ঞানী পণ্ডিত থাকা সত্ত্বেও উচ্চশিক্ষা স্তরে আজও বাংলা ভাষায় লেখা ভালো একাডেমিক বই পাওয়া যায় না বা বাংলা একাডেমিক ডাটাবেস আছে কি না আমার জানা নেই। অথচ এই বাংলা ভাষার রয়েছে এক সমৃদ্ধ সাহিত্য ভাণ্ডার, হাজার বছরের পুরনো ইতিহাস, রয়েছে এক বিশাল ভাষাভাষী জনপদ। দুই বাংলার মানুষ চাইলে লন্ডন কেন, পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে অনায়াসে প্রতিষ্ঠা করতে পারে বাংলা ভাষার মর্যাদা এবং ইলেকট্রনিক ডাটাবেস। এমনকি অভিজ্ঞতা থেকেও বোঝা যায় যে কাউন্সিল পর্যায়ে আমাদের নেতৃত্বদানকারীরা বাংলা শিক্ষা এবং সাংস্কৃতির উপর গবেষণাধর্মী কাজে একেবারে পিছিয়ে এবং তারা উৎসাহবোধ করেন না এবং এ ব্যাপারে এগিয়েও আসতে উৎসাহ বোধ করেন না। এর জন্য কমিউনিটিকে একসাথে জড়ো করে কোন প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয় না। সর্বোপরি প্রত্যেক বাংলা মায়ের সন্তানকে হৃদয় হতে বাংলা ভাষাকে ধারণ করতে হবে, এবং একে বাঁচাবার চেষ্টা করতে হবে এবং বিশ্ববাসীর কাছে এ ভাষার সৌন্দর্য এবং সমৃদ্ধতা তুলে ধরতে হবে। কারণ প্রতি মুহূর্তে আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছে, এবং আমরা পিছিয়ে পড়ছি। এগিয়ে যাওয়াটা কিন্তু নির্ভর করে গোষ্ঠীর ব্যাকুল আবেগ ও ইচ্ছার ওপর।

লেখক: মোঃ নজরুল আমিন
বিএসসি অনার্স, এম এ (বাংলা ভাষা ও সাহিত্য)