লন্ডনে বঙ্গবন্ধু তনয়াদের চারদশকের অভিযাত্রা শীর্ষক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত

187

ওয়ানবাংলানিউজ: বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরাম ইউকে’র উদ্যোগে লন্ডনের স্থানীয় একটি হোটেলের কনফারেন্স হলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যার গত চল্লিশ বছরেরও অধিক সময়ের রাজনৈতিক জীবনের ওপর ভিত্তি করে ”বঙ্গবন্ধু তনয়াদের চারদশকের অভিযাত্রা’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ই সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ মুক্ত আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আবুল হাশেম। সংগঠনের সহসভাপতি তওহীদ ফিতরাত হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও লন্ডনস্থ বাংলাদেশের মাননীয় হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম। মুল বক্তব্য উপস্থাপনা করেন সংগঠনের সভাপতি, লেখক-কলামিস্ট সুজাত মনসুর। স্মৃতিচারণ করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান গৌস সুলতান। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হেনা বেগম।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বৃটিশ-বাংলাদেশীদের প্রতিনিধি সেঁজুতি মনসুর, কাজী মাখনুন, সানজিদা বিশ্বাস ও তাসনিম ফারিয়া রশীদ আবৃত্তি ও বক্তব্য রাখেন। এছাড়া জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিবেদিত কবি সফিয়া জাহিরের লেখা কবিতা আবৃত্তি করেন ডাঃ আব্দুল মাবুদ চৌধুরী ফয়সল ও শেখ রেহানাকে নিবেদিত কবি আতাউর রহমান মিলাদের লেখা কবিতা আবৃত্তি করেন নাজ নাঈম।

আলোচনায় অংশ নেন সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোঃ হরমুজ আলী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক,ও যুগ্ম সম্পাদক নইমুদ্দিন রিয়াজ। এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের এক দশকেরও অধিক সময়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিষয় ভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেন সৈয়দ এহসানুল হক, এডভোকেট তওহীদুল ইসলাম বাহার, মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, নাজমা সুলতানা নার্গিস, শামসাদুর রহমান রাহীন।

মূল বক্তব্যে সুজাত মনসুর ১৯৭৫ সালের পনেরোই আগষ্ট স্বপরিবারে শাহাদাত বরণের পর ভারতে আশ্রয় নেয়া বঙ্গবন্ধু তনয়াদের চারদশকের অধিক সময়ের কষ্টকর, প্রত্যয়ী, সংগ্রামী, সাদামাটা ও সফল জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ও শেখ রেহানার বিলেতে আগমন ছিল একটা সময়োপযোগী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

তাছাড়া নিরাপত্তার বিষয়টিতো ছিলই। শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন ও শেখ রেহানা লন্ডনে অবস্থান করেনবঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের দাবীতে ও দেশে সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তুলতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।

প্রধান অতিথি সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও বিশেষ অতিথি সাঈদা মুনা তাসনিম বলেন, বঙ্গবন্ধু তনয়ারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও রায় কার্যকর হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকর হয়েছে। সর্বোপরি দেশ অর্থনৈতিক সামাজিক রাজনৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের দিক থেকে বিশ্বের একটা মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। মাননীয় হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠাা কন্যা শেখ রেহানা হলেন বঙ্গমাতার প্রতিচ্ছবি।