গ্রীষ্মকালীন ভয়াবহ দাবানলে জ্বলছে পর্তুগাল

91

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: টানা তৃতীয় দিনের মতো দাবানলে জ্বলছে পর্তুগাল। সেন্ট্রাল পর্তুগালের কাস্টেলো ব্রাঙ্কো জেলায় গ্রীষ্মকালীন ভয়াবহ এ দাবানলে এখন পর্যন্ত আহত হয়েছে কমপক্ষে বিশজন, আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে প্রায় ১৮শ দমকল বাহিনী কর্মী, ১৯টি হেলিকপ্টার, ১০০টি অগ্নিনির্বাপক গাড়ি দাবানল নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে।

অগ্নিদগ্ধ একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় রাজধানী লিসবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও ৮জন দমকলকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। রাজধানী লিসবন থেকে ২০০ কি. মি. দূরত্বে সংঘঠিত হয়েছে এ দাবানল।

আগুন লাগার কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে সিগারেটের আগুন থেকে লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দাবানলে কাস্টেলো ব্রাঙ্কো এলাকার একটি জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রায় নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে সেএলাকার বাসিন্দাদের।

এদিকে সাংবাদিকদের সাথে কথোপকথনে পর্তুগালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদুয়ার্দো কাবরিতা জানান, কাস্টেলো ব্রাঙ্কো অঞ্চলের দাবানল এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। তবে পূর্ব প্রস্তুতির পাশাপাশি আমরা দাবানল নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

তিনি আরও যোগ করেন, উদ্দেশ্যমূলকভাবে কেউ সেখানে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে কিনা কর্তৃপক্ষ সেটিও খতিয়ে দেখছে।

পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেইলো ডি সওজা এক বার্তায় বলেন, বীরত্বের সঙ্গে যারা দাবানলের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছেন তাদের কাজের প্রতি সংহতি ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করছি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ব্যাপক দাবানলে পর্তুগালে প্রাণ হারায় শতাধিক মানুষ। এরপর দাবানল নিয়ে সতর্ক অবস্থানে যায় পর্তুগাল। দূর্যোগ মোকাবেলায় নেয়া হয় বেশ কিছু কার্যকরী উদ্যোগ। যার ফলে ২০১৮ সালেও ভয়াবহ দাবানল সংঘঠিত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। প্রতিবছর গ্রীষ্মকালীন সময়ে পর্তুগালের পার্বত্য বনাঞ্চলগুলোতে ধারাবাহিক দাবানল সংঘঠিত হয়ে থাকে।