কোলকাতা ভ্রমণে গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস

768

শেখ শফিউল্লাহ: যারা কোলকাতা ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্য কিছু ভ্রমণ টিপস দিচ্ছেন ভ্রমণপিয়াসী শেখ শফিউল্লাহ।

প্রায় ১,৮৮৭ বর্গকিলোমিটারের কোলকাতা শহরে নতুন পুরনো মিলিয়ে অনেক কিছুই আছে দেখার মত। তৎকালীন রাজধানী হিসেবে কোলকাতাকে সাজাতে ব্রিটিশরা মোটেও কার্পণ্য করে নাই। এখনও চলছেে এর শ্রীবৃদ্ধি। তাঁর প্রমান এখন বর্তমান। ব্রিটিশ আমলের অনেক স্থাপত্যকীর্তি আজও পর্যটকদের মনযোগ কেড়ে নেয়।

ঢাকা থেকে কোলকাতার দূরত্ব বলতে গেলে ৩০০ কিলোমিটারের কিছু বেশী। তাই বিভিন্নভাবেই যাওয়া যায়। যদি একটু আরামের সাথে ভ্রমণ করতে চান তাহলে বিমানে যেতে পারেন। মাত্র আধঘন্টায় কোলকাতায় ল্যান্ডকরে আপনার অনেক সময় বাঁচাতে পারবেন। কেননা বাস অথবা রেলপথে প্রায় ১২ ঘন্টা সময় লেগে যায়। তা ছাড়া দীর্ঘ সময়ের যাত্রা পথের ক্লান্তি ধরে রাখে আপনাকে।

তবে স্থলপথে যদি আপনাকে ভ্রমণ করতেই হয় তাহলে রেল পথে অনেক প্রশ্বস্তি পাবেন।

ঢাকা থেকে কলকাতা রুটটি মোটামুটি ব্যাস্ত একটি রুট। প্রতিদিন প্রচুর লোক যাওয়া আসা করে থাকেন। তাই ফ্লাইটের সংখ্যাও বেশী আবার প্রতিযোগিতাও বেশী। ভাল হয় যদি আপনি যাত্রার বেশ আগে থেকেই টিকিট বুকিং করে রাখেন। তাতে খরচ কিছু কম ও হতে পারে।

ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে পারবেন বাংলাদেশ বিমান, স্পাইস জেট, এয়ার ইন্ডিয়া অথবা জেট এয়ারওয়েজ এ। এছাড়া দেশী বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে আছে রিজেনট এয়ারওয়েজ, নভো এয়ার, ইউ এস বাংলা ইত্যাদি। এই বিমানগুলোতে কলকাতা গেলে খরচ অপেক্ষাকৃত কম হবে (বাংলাদেশী টাকায় ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ টাকা)। এছাড়া আরও বিমান সংস্থা যেমন থাই এয়ার, শ্রীলংকান এয়ারলাইন্স, চায়না ইস্টার্ন, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ ইত্যাদিতেও কলকাতা যেতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে একটু বেশী টাকা গুনতে হবে আপনাকে।

কোলকাতা কোথায় থাকবেন?
বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রয়োজনে দ্বিতীয় বাংলার রাজধানী কোলকাতা এখন আমাদের বাংলাদেশিদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুরাঘুরি, কেনাকাটা, চিকিৎসা ইত্যাদি কাজে সারা বছরই বাংলাদেশ থেকে প্রচুর লোক কোলকাতা যেয়ে থাকেন। বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় এসে সর্ব প্রথম বড় যে ঝামেলায় পড়তে হয় তা হল আপনার জন্য ভালমানের একটি গেস্ট হাউস বা হোটেল পাওয়া। এখানে প্রতি দিনের জন্য হোটেল ভাড়া ৩০০ রুপি থেকে শুরু হয়ে ৫০০০ রুপি পর্যন্ত হয়ে থাকে। আর মাস খানেক চিকিত্সার জন্য যারা আসবেন তাদের ১ রুমের ভাড়া ২০-২৫ হাজার রুপি হতে পারে। তাই এখানে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। কলকাতা শহর অনেক বড়, আর এলাকা ভেদে হোটেল খরচ আলাদা হয়ে থাকে। তাই আপনে কোন কাজে এসেছেন তার উপর ভিত্তি করে হোটেল বাছাই করা উত্তম।

আপনি যদি কেনাকাটা এবং ঘুরাঘুরির জন্য কলকাতা এসে থাকেন তাহলে শহরের কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক এলাকা হিসাবে পরিচিত মধ্য কলকাতায় হোটেল বাছাই করবেন। এই ক্ষেত্রে সদর স্ট্রীট, ফ্রী স্কুল স্ট্রীট (মির্জা গালিব স্ট্রীট), মারকুইস স্ট্রিট, পার্ক স্ট্রীট এর হোটেল গুলো হবে আপনার জন্য আদর্শ। এই সব এলাকায় রয়েছে কলকাতা নিউমার্কেট, এসপ্ল্যানেড, চাঁদনী চৌক, ডালহৌসি স্কোয়্যার, বিগ বাজার। আসে পাশে আছে প্রচুর শপিং মল, যেখান থেকে আপনি আপনার দরকারি সব জিনিসপত্র কিনতে পারবেন। কলকাতায় ঘুরাঘুরির জন্য সব স্থাপনা গুলো এই এলাকাতেই অবস্থিত এবং এখান থেকে আপনি যেকোনো জায়গায় সহজে যেতে পারবেন। বাংলাদেশ থেকে আসা সকল গাড়িগুলো মারকুইস স্ট্রিটে এসেই থামে।

আর যদি চিকিৎসার জন্য এসে থাকেন তাহলে যেই হসপিটালে চিকিৎসা নিবেন তার আসে পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। সব থেকে ভাল হয় আসার আগেই গুগল ম্যাপ দেখে আপনার সম্ভব্য এলাকা গুলোর বিষয়ে ধারণা নিয়ে আসা। তাহলে হোটেল বাছাই এবং ট্যুর এর পরিকল্পনা করতে অনেক সুবিধা হয়।

আরও কমখরচে কোলকাতায় থাকা খাওয়া:
কোলকাতার ইকবালপুর অথবা খিদিরপুর এলাকার হোটেলে উঠলে আপনার অনেক টাকা বেচে যাবে। কেননা যেখানে কোলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় একটা সিঙ্গেল রুম ২ থেকে ৩ হাজার রুপি ভাড়া নিবে সেখানে ইকবালপুর অথবা খিদিরপুর এলাকার হোটেলে রুমপ্রতি মাত্র চার থেকে পাঁচশ টাকা পড়বে। ইকবালপুর, খিদিরপুর ও নিউমাকেট এলাকায় বহু মুসলিম খাবার হোটেল আছে। ৫০ বা ৬০ টাকায় গরুর মাংস দিয়ে পেট ভরে ভাত খেতে পারবেন। মোটামুটি সুলভ মূল্যে ভালো খাবার পাওয়া যায়।

সতর্কতা: কোলকাতায় রুম না দেখে আগে কনফার্ম করবেন না। অগ্রিম বুকিং মানে ঠকার সম্ভাবনা শতভাগ। তাই দেশ থেকে বুকিং করা উচিত নয়। প্রথম সফর হলে দেশ থেকেই কয়েকটি হোটেলের ব্যাপারে জেনে আসা্ উচিত। অবশ্যই দরদাম করে রুমভাড়া ঠিক করবেন। তেমনি ভাবে কোনকিছু কেনাকাটার সময়ও দরদাম করা উচিত। আপনার সাথে কোন সহযোগি থাকলে একজন গিয়ে হোটেল  ভাড়া করুন আর অন্যরা বাকিরা অন্য কোথাও অপেক্ষা করুন। মালামাল নিজ হেফাজতে সবজায়গায় রাখবেন প্লিজ।

 ভালো ব্যবস্থাপনায় থাকতে চান তাদের জন্য কলকাতার ভাল কিছু হোটেলের নাম ও ফোন নম্বর

ওবেরয় গ্র্যান্ড হোটেল – +91 33 2249 2323
গেটওয়ে হোটেল ই এম বাইপাস – +91 33 6666 0000
গ্রেট ইস্টার্ন হোটেল – +91 33 4444 7777
জে ডবলু ম্যারিওট হোটেল – +91 33 6633 0000
হায়াত রিজেন্সি হোটেল – +91 33 2335 1234
নভোটেল কলকাতা – +91 33 4032 3333
কেনলি ওয়ারথ কলকাতা – +91 33 2282 3939
এয়ারপোর্ট সিটি হোটেল – +91 33 2513 3131
দি প্রাইড হোটেল কলকাতা – +91 33 4025 9999
দি ওয়েস্টিন কলকাতা – +91 33 4037 1234

কলকাতার কোথায় ঘুরবেন, কি দেখবেন

শপিং করতে নিউমার্কেট, বড় বাজার এলাকায় যেতে পারেন। প্রায় ১,৮৮৭ বর্গকিলোমিটারের কলকাতা শহরে নতুন পুরনো মিলিয়ে অনেক কিছুই আছে দেখার মত। তৎকালীন রাজধানী হিসেবে কল্কাতাকে সাজাতে ব্রিটিশরা মোটেও কার্পণ্য করে নাই। তাঁর প্রমান এখন বর্তমান। ব্রিটিশ আমলের অনেক স্থাপত্যকীর্তি আজও পর্যটকদের মনযোগ কেড়ে নেয়।

কোলকাতা চিড়িয়াখা, রবিন্দ্রভারতী, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল পার্ক ও যাদুঘর, হাওড়া ব্রিজ, সল্ট লেক স্টেডিয়াম, মার্বেল প্যালেস, ইডেন গার্ডেনস, এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট আরও কত কি! এরকম কিছু বিখ্যাত জায়গার নাম ঠিকানা দিয়ে দিলাম। ইচ্ছে করলে এসবস্থান ঘুরে দেখতে পারেন।

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল

ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে তৈরি এই বিখ্যাত স্থাপনা নিঃসন্দেহে কলকাতার সেরা আকর্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম। ৫৭ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে আছে মোট ২১ টি বাগান, ২৮ হাজারেরও বেশী স্থাপনা ও প্রায় ৪ হাজার পেইন্টিং। প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ মানুষ এখানে বেড়াতে আসেন।

কলকাতা

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল

ঠিকানাঃ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল, ১ কইন্স ওয়ে, কলকাতা।

ভ্রমণের সময়ঃ সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা

প্রবেশ মুল্যঃ ভারতীয় নাগরিকদের জন্যও ২০ রুপি, পর্যটকদের জন্যও ২০০ রুপি।

ফোর্ট উইলিয়াম

ইংরেজ শাসনামলে স্থাপিত এই বিশাল অট্টালিকাটি কলকাতার অন্যতম আকর্ষণীয় একটি জায়গা। এর অবস্থান হুগলী নদীর পূর্ব দিকে। শতবছরের বেশী পুরনো এই ভবনটি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজে ব্যাবহার হয়ে আসছে। ইংরেজ আমলে অনেক সময় এটিকে ব্যবহার করা হত জেলখানা হিসেবে। বর্তমানে এটি ইস্টার্ন কমান্ডের হেড কোয়ার্টার হিসেবে ব্যাবহার হচ্ছে।

কলকাতা

ফোর্ট উইলিয়াম

ঠিকানাঃ ফোর্ট উইলিয়াম, হেস্টিংস, কলকাতা।

ভ্রমণের সময়ঃ সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫:৩০

প্রবেশ মুল্যঃ বিনামুল্যে

মার্বেল প্যালেস

উনিশ শতকের যে সমস্ত প্রাসাদ গুলো নিয়ে কলকাতাবাসী এখন গর্ব করে, মার্বেল প্যালেস তাদের মধ্যে অন্যতম। কলকাতার অন্যতম আকর্ষণীয় এই ভবনটি দেখতে প্রতিবছর লাখ লাখ লোক ভিড় জমায়। এর চমৎকার স্থাপত্যশৈলী, কারুকাজ ও অসংখ্য চমৎকার ভাস্কর্য আপনাকে বিমোহিত করবেই।

কলকাতা
ফোর্ট উইলিয়াম

ঠিকানাঃ ৪৬, মুক্তারাম বাবু স্ট্রিট, জোড়াসাঁকো, কলকাতাভ্র

মণের সময়ঃ সকাল ১০:৩০ থেকে বিকাল ৪ টাপ্রবেশ মুল্যঃ বিনামূল্যে

হাওড়া ব্রিজ

আইফেল টাওয়ারকে যেমন প্যারিসের প্রতিক হিসেবে ধরা হয়, হাওড়া ব্রিজ কলকাতার ঠিক তেমনি কিছু একটা। এই হাওড়া ব্রিজ না দেখলে আপনার কলকাতা ভ্রমণের মধ্যে অনেক বড় একটা অসম্পূর্ণতা থেকে যাবে। নগরীর অন্যতম ব্যাস্ত এলাকায় এর অবস্থান। ১৯৪৫ সালে তৈরি করা এই ব্রিজটি ব্যাবহার করা হয় কলকাতা এবং হুগলীর মধ্যে যোগাযোগের জন্যও। ১৯৬৫ সালে কবি গুরু রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি সন্মান দেখিয়ে এই ব্রিজটির নামকরন করা হয় রবিন্দ্র সেতু, যদিও এরপর এটি হাওড়া ব্রিজ নামেই জনপ্রিয় থেকে যায়।

ঠিকানাঃ জগন্নাথ ঘাট, ১ স্ট্যান্ড রোড, কলকাতা

কলকাতা
হাওড়া ব্রিজ

 

জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়ী

সম্ভবত এই জায়গাটি যারা কলকাতা কখনও আসেননি, তাদের কাছেও সুপরিচিত। হবে নাই বা কেন, এখানেই তো বিশ্বকবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের বড় একটা সময় কাটান। তাঁর নোবেল বিজয়ের পর এই বাড়িটি আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করে। প্রতিবছর বিভিন্ন দেশের সাহিত্য প্রেমী ও পর্যটকরা কবিগুরুর এই বাড়ী দেখতে ছুটে আসেন। বর্তমানে এই বাড়িটি একটি জাদুঘরে রুপান্তরিত করা হয়েছে। এখানে কবিগুরুর যাবতীয় জিনিসপত্র, তাঁর সাহিত্যকর্ম, চিত্রকর্ম, আলোকচিত্র ইত্যাদি সব সংরক্ষিত আছে।

ঠিকানাঃ গিরিশ পার্ক, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ, কলকাতা।

প্রবেশ মুল্যঃ ১০ রুপি প্রতিজন, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যও ৫ রুপি।

বোটানিক্যাল গার্ডেনস

গঙ্গা নদীর পশ্চিম তীরে প্রায় ২৭৩ একর নিয়ে গড়ে উঠেছে কলকাতার বিখ্যাত বোটানিক্যাল গার্ডেন। প্রকৃতি প্রেমীদের কাছে বোটানিক্যাল গার্ডেনের আকর্ষণ অনেক বেশী। এখানে আছে ১২ হাজারেরও বেশী ভিন্ন প্রজাতির গাছ। চারিদিকে সবুজের সমারোহ থাকায় জায়গাতায় বেশ একটা শান্তি শান্তি ভাব আছে। শহরের নাগরিকতায় ক্লান্ত অনুভব করলে বোটানিক্যাল গার্ডেন আপনাকে দিবে এক শান্তিময় বৈচিত্র্য।

কলকাতা
বোটানিক্যাল গার্ডেনস

ঠিকানাঃ শিবপুর, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ।

ভ্রমণের সময়ঃ সকাল ১০ টা – সন্ধ্যা ৭ টা

প্রবেশ মুল্যঃ ভারতিয়দের জন্য ১০ রুপি, পর্যটকদের জন্যও ১০০ রুপি

দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দির

এই কালীমন্দিরটি কলকাতার বিখ্যাত পুরাকীর্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৮৫৫ সালে রানী রাসমণি মহাদেবী কালীর প্রতি তাঁর ভক্তির প্রতিক সরূপ এই মন্দিরটি তৈরি করেন। তখন থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অনেক জনপ্রিয় একটি গন্তব্য এই মন্দির।

কলকাতা
দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দির

ঠিকানাঃ দক্ষিণেশ্বর, কলকাতা

ভ্রমণ সময়ঃ সকাল ৬ টা – দুপুর ১২:৩০ এবং দুপুর ৩ টা – রাত ৮:৩০ প্রবেশ মুল্যঃ বিনামুল্যে

বেলুর মঠ

বিখ্যাত বেলুর মঠের কথা আমরা অনেকেই জানি। ধর্মপ্রাণ মানুষদের জন্য এটি একটি কাঙ্খিত গন্তব্য। বিখ্যাত রামকৃষ্ণ মিশন ও রামকৃষ্ণ মঠের কার্যক্রম প্রধানত এখান থেকেই পরিচালিত হয়। মঠের প্রাচীন দালান কোঠা আর সবুজ চারপাশ আপনার মন কে এক অপূর্ব শান্তিতে ভরে দিবে। আত্মিক শান্তি খুজে বেরান এরকম বহু পর্যটকের আগমন ঘটে এই বেলুর মঠে।

কলকাতা
বেলুর মঠ

ঠিকানাঃ বেলুর, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ।

ভ্রমণের সময়ঃ ভোর ৬ টা – বেলা ১১:৩০ এবং বিকাল ৪ টা – সন্ধ্যা ৭ টা।

প্রবেশমূল্যঃ বিনামূল্যে