ফাইনালে বাংলাদেশ

259

খেলাধুলা ডেস্ক: লক্ষ্যটা নাগালের মধ্যেই, ২৪৮ রান। এই রান তাড়া করে সহজেই জয় পাওয়ার কথা। শেষ পর্যন্ত পেয়েছেও তাই। যদিও মাঝখানে কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহর দৃঢ়তায় অনায়েশে পাঁচ উইকেটে জিতেছে। এই জয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ।

আজ সোমবার ডাবলিনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথমে ব্যাট করে ২৪৭ রান করে। জবাবে পাঁচ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় লাল-সবুজদের দল।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৭৩ রানের চমৎকার ইসিংস খেলা সৌম্যর ধারাবাহিকতা এ দিনও। খেলেন ৬৭ বলে ৫৪ রানের চমৎকার একটি ইনিংস। তামিম আউট হন ২১ রানে এবং সাকিব ফিরে যান ২৯ রানে। পরে শেষ দিকে মুশফিক ৬৩ রানে আউট হলেও ও মাহমুদউল্লাহ ৩০ রানের হার না মানা একটি ইনিংস খেলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। আর মিঠুন করেন ৪৩ রান।

এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৪৭ রান গড়তে শেই হোপ খেলেন ৮৭ রানের একটি ঝলমলে ইনিংস। আর হোল্ডার করেন ৬২ রান।

মাশরাফি ও মুস্তাফিজের বোলিং নৈপুণ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এই রানে আটকে ফেলে বাংলাদেশ। ১০ ওভার বল করে ৬০ রান দিয়ে তিন উইকেট তুলে নেন নড়াইল এক্সপ্রেস। চার উইকেট পান মুস্তাফিজ ৪৩ রান খরচায়। এ দিন দারুণ সাফল্য পেয়ে আত্মাবিশ্বাসটাও ফিরে পেয়েছেন কাটার-মাস্টার। আর সাকিব ও মিরাজ পান একটি করে উইকেট। তবে অভিষিক্ত সেপার আবু জায়েদ রাহি কোনো সাফল্য পাননি। ৯ ওভার বল করে ৫৬ রান খরচ করেন তিনি।

দুর্দান্ত বল করে বিশ্বাকাপের আগে নিজের আত্মবিশ্বাসটা বাড়িয়েছেন মুস্তাফিজ। ৯ ওভার বল করে ৪৩ রান দিয়ে চার উইকেট পান। দীর্ঘদিন পর বল হাতে উজ্জ্বলতা ছড়ান কাটার-মাস্টার। গত বছর সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে আবু ধাবিতে সর্বশেষ চার উইকেট পেয়েছিলেন বাংলাদেশি এ পেসার। এরপর দীর্ঘ সময় ভালো কোনো সাফল্য পাচ্ছিলেন না তিনি।

আগামী বুধবার লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে হারলেও ফাইনালে খেলার পথে কোনো বাধা থাকবে না। এ দিনের জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকেই ফাইনালে ওঠে মাশরাফিরা। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯ পয়েন্ট নিয়ে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করে। দুই পয়েন্ট নিয়ে আয়ারল্যান্ড তলানিতে আছে।