মিথ্যা দাবি টিকাতে না পেরে সৌদি আরব সাংবাদিক খাসোগি হত্যার কথা  স্বীকার করলো

255

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা র সৌদি দূতাবাসের ভিতর ঢোকার পরে নিখোঁজ সাংবাদিক খাসেগীর উধাও হয়ে যাওয়ার পর সৌদি আরব দাবি করে আসছিলো তিনি সুস্থ ভাবে দূতাবাস ত্যাগ করেছেন। আন্তর্জাতিক চাপ ও তুরস্কের অনমনীয় অবস্থানের ফলে শেষপর্যন্ত দুই সপ্তাহ পরে সৌদি টেলিভিশনে খশগী মারা গেছেন বলে স্বীকার করে সংবাদ প্রচার করা হলো। যদিও সৌদি আরব থেকে আসা সৌদি যুবরাজের ঘনিষ্ট খুনিরা এই খুনে জড়িত তবুও বলা হচ্ছে দূতাবাসের মধ্যে মারামারিতে খশগী মারা গেছেন।

তুরস্ক সরকারের কাছে অডিও ও ভিডিও টেপে এই হত্যাকাণ্ডের প্রমান থাকলেও সৌদি আরব এতদিন তা অস্বীকার করে আসছিল। আজ সৌদি সরকার বলছে তারা এই ঘটনার সাথে জড়িত১৮ জনকে  গ্রেফতার করেছে এবং একজন শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা কে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে।জামাই জেরল্ড কুশনারের ঘনিষ্ট ব্যাবসায়ী সৌদি আরবের মূল শাসক যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম থেকেই নমনীয় অবস্থান নিলেও জনমত ও আন্তর্জাতিক চাপে এখন সরাসরি  তার পক্ষ না নিয়ে বলেছেন,আমেরিকায় যেহেতু সৌদি আরব ৪৫০ বিলিয়ন ডলার ব্যাবসা ও বিনিয়োগ করে এবং অস্ত্র কিনে তাই কোন নিষেধাজ্ঞা আমেরিকার জন্য ক্ষতিকর হবে।
ঘটনার মূল নায়ক যুবরাজ সালমানকে বাঁচানোর চেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফল না হওয়ার ই সম্ভাবনা বেশি কারণ ইয়েমেন এ লক্ষ লক্ষ মানুষ কে নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করে হত্যার জন্য যুবরাজ আন্তর্জাতিক মহলে যথেষ্ট বদনাম কুড়িয়েছে।

ফ্রান্স ব্রিটেন ও নেদারল্যান্ড ও আপাত দৃস্টিতে তাকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিচ্ছে না এবং ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করেছে। তুরস্কের রাষ্ট্রপ্রধান এরদোগান সরকারও কোন নমনীয়তা না দেখানোয় শেষ পর্যন্ত বর্তমান শাসক ও খুনের মূল পরিকল্পনাকারী সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানকে ক্ষমতা ছাড়তে হতে পারে ।