এবার ১৩ জনকে নিয়ে ডুবে গেল নৌকা

84

ঢাকা সংবাদদাতা: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নিঝুপ দ্বীপ এলাকায় ঘুমন্ত ১৩ জেলেকে নিয়ে একটি মাছ ধরার নৌকা ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বেচন (২৩) নামে এক জেলে নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও একজন। এ ঘটনায় ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোর সাড়ে তিনটা থেকে ৪টার দিকে উপজেলার নিঝুম দ্বীপের ১২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ক্যাডার চর সংলগ্ন মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে নৌকাডুবিতে নিহত জেলে বেচনের (২৩) মরদেহ উপজেলার আমতলী বাজার সংলগ্ন নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি জাহাজমারা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গোলাম মাওলার ছেলে। এছাড়া নিখোঁজ জেলে মো. সোহাগ (১৩) জাহাজমারা ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের মো. আব্দুর জাবেরের ছেলে।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবুল খায়ের বলেন, নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ। গভীর রাতে ১৩ জন জেলেসহ মাছ ধরার নৌকাটি জোয়ারের পানির আঘাতে ডুবে যায়। তখন নৌকার সকল জেলে ঘুমে ছিলেন। ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

এর আগে সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১০ টার দিকে বুড়িগঙ্গায় মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা ‘মর্নিং বার্ড’ নামের যাত্রীবাহী একটি লঞ্চ সদরঘাটের জেটিতে থামতে এগিয়ে আসছিল। ঠিক একই সময়ে ঢাকা-চাঁদপুর রুটের ময়ূর-২ লঞ্চটি সদরঘাট থেকে চাঁদপুরের দিকে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু মর্নিং বার্ড লঞ্চটি যখন ময়ূর-২ লঞ্চকে অতিক্রম করছিল, ঠিক তখনই মর্নিং বার্ডকে অনেকটা চাপা দিয়ে ডুবিয়ে দেয় ময়ূর-২। এ সময় মর্নিং বার্ড লঞ্চে প্রায় ১০০ যাত্রী ছিল বলে জানা যায়।

যার মধ্যে কয়েকজন সাঁতরে জীবন বাঁচালেও এখন পর্যন্ত ৩২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আরো অনেকে এখনও নিখোঁজ আছেন। তাদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, নৌবাহিনীর ডুবুরি দলের সদস্য ও স্থানীয়রা।