ইংল্যান্ডে সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের স্কুলে না দিলে অভিভাবকদের জরিমানা

1839

ওয়ানবাংলানিউজ: গত মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে ব্রিটেনের স্কুলগুলো। চলছে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম। তবে ১ জুন থেকে সীমিত পর্যায়ে কয়েকটি ক্লাস চালু হলেও সবার উন্মুক্ত হয়নি ক্লাসে শিক্ষাদান। আগামী মাস থেকে গ্রীষ্ণকালিন ৬ সপ্তাহের ছুটি শেষে সেপ্টেম্বর সকল শিক্ষার্থী ক্লাসে ফেরাতে কঠোর অবস্থানে সরকার।

এডুকেশন সেক্রেটারী বলেছেন, ইংল্যান্ডের শিশুদের সেপ্টেম্বরে ক্লাসে না দিলে জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে অভিভাবকদের। অনুপস্থিতির সঠিক ব্যাখা না পাওয়া গেলে অভিভাবকদের আর্থিক জরিমানা করা হবে।

তবে প্রধান শিক্ষকরা বলছেন, জরিমানার পদ্ধতি আগেও সঠিক ছিলো না। হেড টিচার্স ইউনিয়ন (এএসসিএল) নেতা জিওফ বার্টন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের অনেক অভিভাবক ভীতু ও উদ্বিগ্নি থাকতে পারেন।

এদিকে এডুকেশন সেক্রেটারী গ্যাভিন উইলিয়ামসন বলেছেন, আমাদের অবশ্যই শিক্ষা ব্যবস্থায় ফিরে আসতে হবে। জরিমান হচ্ছে এটি একটি অংশ। তবে জরিমানার হুমকির বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছে ইয়ং মাইন্ডস মেন্টাল হেলথ। স্কুলে যাওয়া আসার ক্ষেত্রে অনেকেরই উদ্বেগ রয়েছে, স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকতে পারে।

অন্যদিকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন প্রয়োজনে অভিভাবকদের আইনগতভাবে বাধ্য করা হবে যাতে তারা বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে আর গড়িমসি না করেন। কোভিডের কারণে বাচ্চাদের কিভাবে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে পাঠদান করা হবে এ নিয়ে অভিভাবকদের শঙ্কা এখনো কাটেনি। কিন্তু বরিস চাচ্ছেন সেপ্টেম্বর থেকেই স্কুল বাধ্যতামূলক করতে। ডেইলি মেইল

গত মার্চ থেকে ব্রিটেনে স্কুল বন্ধের পাশাপাশি অনলাইনে পাঠদান চলছে। কোভিডের কারণে ব্রিটিশ সরকার স্কুলে বাচ্চাদের না পাঠানোর কারণে জরিমানা স্থগিত রাখে।

ডেইলি মেইলকে বরিস জনসন বলেছেন, স্কুলে বাচ্চাদের ফিরিয়ে আনা জরুরি। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই তা চাই আমি। এবং এটাই আইন।

বরিস একই সঙ্গে বাচ্চাদের পাঠদানে স্কুল কর্তৃপক্ষকে তাদের দায়িত্ব গুরুত্বের সাথে পালনের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, যেসব গরিব পরিবারের ছেলেমেয়ে স্কুল থেকে দূরে সরে গিয়েছে শিক্ষকরা তাদের সামাজিক অবিচারের মধ্যে ফেলে দিয়েছেন।

তবে ওয়েলস, স্কটল্যান্ড ও নর্দান আয়ারল্যান্ডের শিক্ষকরা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন। তারা কোভিডের কারণে অভিভাবক ও বাচ্চাদের আরো ছাড় দেয়ার পক্ষপাতি।

গত সপ্তাহে ব্রিটেনের এডুকেশন গ্যাভিন উইলিয়ামস শিক্ষকদের ইউনিয়নের সাথে স্কুল পুনরায় খুলে দেয়ার ব্যাপারে আপোষের সঙ্গে ফয়সালার পরামর্শ দেন। একটি ক্লাসে ১৫ জন শিশু ও তাদের মধ্যে শারীরিক দূরত্ব এক মিটারের বেশি রাখার কথাও বলেন গ্যাভিন।

পৃথক সংবাদ:
লন্ডনে ভালো নেই বাংলাদেশী ক্যাব ড্রাইভাররা। লকডাউন শিথিল হলেও আগের মত যাত্রী নেই।