ইরান সফরে ওমানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

66

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ওমানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউসুফ বিন আলাবি মঙ্গলবার তার তেহরান সফর শুরু করেছেন। আল-আরাবিয়া টেলিভিশনের খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

চলতি বছরের শুরুতে অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন এই সফরের খবর এসেছে। গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হন।

পরবর্তী সময়ে প্রতিশোধ নিতে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান। যদিও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলছে ওমান।

এদিকে কাপুরুষিতভাবে কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে ওই হামলার সাহসি জবাব দেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন ইরানের প্রভাবশালী আল-কুদস ফোর্সের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কিয়ানি।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানের দ্বিতীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। পরে ইসমাইল কিয়ানিকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হলে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে তার মেয়াদ শুরু হয়েছে।-খবর মিডল ইস্ট আইয়ের

এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কাপুরোষিতভাবে সোলাইমানির ওপর আঘাত করেছে। কিন্তু ইনশাআল্লাহ, বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতাকামীদের সহায়তায় আমরা তার রক্তের প্রতিশোধ নেব। আমরা সাহসিকতার সঙ্গে তার খুনিদের ওপর আঘাত হানবো।

তার মতে, শত্রুরা কেবল বলপ্রয়োগের ভাষাই জানে। কাজেই আমরা কঠিনভাবে তাদের মোকাবেলা করবো।

ইরানের বিপ্লবী গার্ডসের এক লাখ ২৫ হাজার সদস্যের অংশ আল-কুদস ফোর্স। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তারা ব্যাপক অনুগত বাহিনী তৈরিতে সক্ষম হয়েছে।

এর আগে সোলাইমানিকে হত্যার ঘটনায় তীব্র প্রতিশোধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ঘাঁটিতে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। কোনো মার্কিন ঘাঁটিতে এটাই ছিল ইরানের সরাসরি কোনো হামলা। যদিও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

সোলাইমানির সহচর হিসেবে ইরান-ইরাক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন কিয়ানি। এছাড়া বিপ্লবী গার্ডসের একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও মধ্যএশীয় দেশগুলোতে আল-কুদস ফোর্সের উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে কিয়ানির। বেশ কয়েকটি সামরিক বিজয়ের জন্যও তিনি গর্বিত বলে খবরে বলা হয়েছে।